বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪
spot_img
Homeআইন-অপরাধকুড়িগ্রামে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা: থানায় মামলা

কুড়িগ্রামে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা: থানায় মামলা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার বল্লভের খাষ ইউনিয়নে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়ে কওমি মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর এক ছাত্রী (১২) কে ধর্ষণ চেষ্টা চালায় তিন সন্তানের জনক ২২ বছরের এক যুবক।

পরে ওই যুবকের ভাবী এবং নিগৃহের শিকার মেয়ের ফুফু একটি পরিত্যাক্ত বাড়ি থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে।

এ সময় অভিযুক্ত যুবক শাহজামাল পালিয়ে যায়। ঘটনার একদিন পর মঙ্গলবার ২২শে জুন রাতে নিগৃহিত মেয়ের বাবা বাদী হয়ে কচাকাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ২১শে জুন বিকাল সাড়ে চারটার দিকে বল্লভের খাষ ইউনিয়নের শিঙিমারী গ্রামে।

নিগৃহিত মেয়ের মা জানান, একই গ্রামের প্রতিবেশী ফজলু মিয়ার ছেলে তিন সন্তানের জনক শাহজামালের সাথে বেশ কিছুদিন থেকে তাদের পারিবারিক দ্বন্দ চলে আসছিলো।

এরি ধারাবাহিকতায় সে তাদের ক্ষতি করার হুমকি দিচ্ছিল। ঘটনার দিন তার মেয়েকে নিয়ে সে বাড়ির অদূরে ছাগল চড়াতে গিয়েছিলো।

একপর্যায় তার মেয়েকে মাঠ থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন তিনি। এসময় বাড়ির কাছাকাছি আসলে অভিযুক্ত শাহজামাল পিছন থেকে মুখ চেপে ধরে তাকে পাশের একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

এর আগে শাহজামাল তার পরিবারের লোকজনের সামনে ওই মেয়েকে ধর্ষণের ঘোষণা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।

পরে শাহজামালের ভাবী দুলো বেগম এই ঘোষণার কথা নিগৃহিত মেয়ের প্রতিবেশী ফুফু সেফালী বেগমকে জানান এবং দুইজন মিলে মেয়েকে খোঁজার জন্য বের হয়।

পরে ওই পরিত্যাক্ত বাড়ির একটি ঘরে অভিযুক্তকে ওই মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টারত অবস্থায় দেখতে পায় তারা। এসময় অভিযুক্ত শাহজামাল পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে তারা।

সেফালী বেগম জানান, তারা ওই পরিত্যাক্ত ঘরের দরজা খুলে দেখতে পান শাহজামাল মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের উপস্থিতি টেরপেয়ে শাহজামাল ঘরের বেড়া ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটিকে বিবস্ত্র অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করেন তারা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি বাড়ি ফেরার পথে শাহজামাল তার মুখ চেপে ধরে জৈনক নূরুল ইসলামের ফাঁকা বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে।

পরে মেয়ে কান্নার শব্দ পেয়ে প্রতিবেশী ফুফু এবং দুলো বেগম এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
এব্যাপারে কচাকাটা থানার ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। আসামী ঘটনার পরপরই গা ঢাকা দিয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।

spot_img
এই বিভাগের অনান্য সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ