সুনামগঞ্জে ইয়াবা ও মদের চালান জব্দ ২ নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৬

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

৯৪

সুনামগঞ্জের ৩ উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মদ তৈরির সরঞ্জাম, ২হাজার লিটার চোরাই বাংলা মদ, ইয়াবা ও ভারতীয় অফিসার চয়েজ মদের চালান জব্দ করে ২ নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ ৬জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ও পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো- জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের সমুজ মিয়ার স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩০), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের তকবির হোসেনের স্ত্রী হাফিজা আক্তার

(২৬), শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের কান্দাহাটি গ্রামের মতি মিয়ার ছেলে আহাদ নুর (৩৫), একই গ্রামের ইয়াসিন মিয়ার ছেলে রাজা মিয়া মিয়া (৩২), হবিবপুর ইউনিয়নের নারকিলা গ্রামের মৃত আজমান মিয়ার ছেলে

আকলিম মিয়া (৩৪) ও সিলেট জেলার জালালাবাদ থানার মইয়ারচর গ্রামের মংগাই মিয়ার ছেলে আবুল মিয়া (২৫)।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকাল ও দুপুরে পৃথক ভাবে গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাঘারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে- গতকাল বুধবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলা সীমান্ত দিয়ে পাঁচারকৃত ৯০ বোতল ভারতীয় অফিসার চয়েজ মদসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী স্বপ্না বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে স্বপ্ন বেগমের সাথে থাকা ২ সহাযোগী পালিয়ে যায়। এঘটনার প্রেক্ষিতে ৩জনকে আসামী করে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অপরদিকে র‌্যাব ৯এর সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের লে.কমান্ডার সি ন আহমদ ও এএসপি আব্দুল্লাহ নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের তকবির হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১হাজার ২শত পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী হাফিজা আক্তার ও তার সহযোগী আবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও শাল্লা উপজেলায় সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৬ লক্ষ টাকার মূল্যের ২হাজার লিটার দেশীয় চোলাই বাংলা মদ ও মদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করাসহ মাদক ব্যবসায়ী আহাদ নুর, রাজা মিয়া ও আকলিম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেন গ্রেফতারকৃত ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডসহ ১শত টাকা করে জরিমানা করেন।

শাল্লা থানার ওসি নুর আলম ও দোয়ারাবাজার থানার ওসি দেব দুলাল ধর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন- এধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.