গাজীপুরে সাংবাদিক পুত্রকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দূবৃত্তরা

টঙ্গী গাজীপুর প্রতিনিধি:

৪৮

বশির আলম, কাজী আজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সামছুল ইসলাম অনিক কে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে দূবৃত্তরা।

গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন দক্ষিণ ছায়াবিথী কাজী আজিমউদ্দিন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গাজীপুর সদর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা সাংবাদিক সামসুদ্দিন জুয়েল।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী কাজী আজিমউদ্দিন কলেজ এর ছাত্র মেরাজুর রহমান স্বাধীন, মোঃ শান্ত, মোঃ তুষার, মোঃ আসাদ, মোঃ মেহেদী, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ রুদ্র জানায় দক্ষিণ ছায়াবীথি কাজী আজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

গেটের সামনে, সেলিম রেজার ছেলে ফাহিম রেজা গাজীপুরে আলোচিত যুবলীগ নেতা লিয়াকত হত্যার আসামি বিগত কিছুদিন যাবৎ আওয়ামী লীগ এর ব্যানার ফেস্টুন লাগানো ও ব্যাক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে কাজী আজিমউদ্দিন কলেজ

বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগ নেতা সামছুল ইসলাম অনিক এর সহিত শত্রুতা করিয়া আসিতেছে। গত বুধবার ১০ই নভেম্বর দুপুর ২টার সময় কাজী আজিমউদ্দিন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ লিচু তলায় (রেগডে এইচএসসি বেচ ২০২১)

উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান চলাকালে একদল দূবৃত্তরা দেশীও অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বেদরক মারপিট করে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলে মৃত ভেবে ফেলে চলে যায়। গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে পড়িয়া গেলে ঘটনা দেখিয়া ডাক চিৎকারে

উপস্থিতে কলেজের ছাত্ররা এগিয়ে আসলে ঘটনাস্থলে থাকা দূবৃত্তরা অস্ত্রে ভয় দেখিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায় গাজীপুর সদর মেট্রো থানা পুলিশ সংবাদ পাইয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও সহপাঠী

অন্যান্য ছাত্ররা সামছুল ইসলাম অনিক কে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে আজিমউদ্দিন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, আমার কলেজের একজন

ছাত্রকে বহিরাগতরা আহত করেছে এবং তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ১০ ই নভেম্বর বুধবার রাতে গাজীপুর সদর থানায় ৬জনকে বিবাধি করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীরা হলেন, ফাহিম রেজা

পিতা সেলিম রেজা, মোঃ ইমন পিতা নজরুল ইসলাম, রাজা সরকার পিতা কাজিন উদ্দিন, মোঃ সাগর পিতা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, কামরুল ইসলাম শাকিল পিতা আবুল হোসেন, আমিনুল ইসলাম জীবন পিতা অজ্ঞাত সহ অজ্ঞাত নামা

আরো ২/৩ জন। মামলা নং ২১। এ বিষয়ে অফিসার্স ইনচার্জ তদন্ত সৈয়দ রাফিউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এই ঘটনায় মামলা হয়েছে আসামীদের গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.