ঝিনাইগাতীতে শিক্ষাগত যোগ্যতা গোপন করে উচ্চ ডিগ্রী দেখিয়ে পাঠদান।

শেরপুর প্রতিনিধি

৬০

।শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে শিক্ষাগত যোগ্যতা গোপন করে উচ্চ ডিগ্রী দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে পাঠদানের অভিযোগ উঠেছে দুই কথিত শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত ওই দুই শিক্ষক দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষকতার নামে ভূয়া অনার্স পাশ দেখিয়ে ছাত্র/ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন, মো.শফিকুল ইসলাম ও

সৃজন সাংমা।সম্প্রতি ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে নবসৃষ্ট ইউনাইটেড পাবলিক স্কুল নামে একটি বেসরকারী স্কুলের প্রসপেক্টাসে শিক্ষক পরিচিতিতে শফিকুল ইসলাম তার শিক্ষাগত যোগ্যতা

বিএসসি অনার্স(পদার্থ বিজ্ঞান) এবং সৃজন সাংমা তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ অনার্স (ইংরেজি) উল্লেখ করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সত্য গোপন করে প্রতারণা করছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

শেরপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সূত্রে জানা গেছে, সফিকুল ইসলাম ২০১৭-২০১৮ শিক্ষা বর্ষে ওই কলেজে বিএসসি অনার্স (পদার্থ বিজ্ঞান) এ ভর্তি হন। তিনি প্রথম বর্ষ সমাপনী পরীক্ষাতেই

উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরবর্তীতে অনার্স কোর্স চলমান না রাখায় পদার্থ বিজ্ঞানে অনার্স করার তার আর সুযোগ নেই। অপর অভিযুক্ত শিক্ষক সৃজন সাংমা ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে শেরপুর সরকারী

বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বিএ অনার্স (ইংরেজি) শাখায় ভর্তি হন। তিনি ১ম বর্ষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত। অথচ তিনি তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স পাশ দেখিয়েছেন।শেরপুর সরকারী

বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শফিকুল ইসলাম বিএসসি অনার্স (পদার্থ বিজ্ঞান) ১ম বর্ষ পরীক্ষায় প্রমোটেড হতে পারেনি এবং এরপর আর কলেজে

যোগাযোগ করেনি। সৃজন সাংমা বিএ অনার্স (ইংরেজি) ১ম বর্ষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২য় বর্ষের ফরম পূরণ করেছে। তারা কেহই অনার্স সম্পন্ন করেনি।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক শফিকুল

ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি অনার্স এ অধ্যয়নরত। কলেজ থেকে প্রদত্ত শিক্ষার্থী আইডি কার্ডে এমন পদবী দেয়ায় আমি উক্ত পদ ব্যবহার করেছি।

এতে আমার কোন ভুল বা প্রতারনা নেই। অপর শিক্ষক সৃজন সাংমার সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যাইনি।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.