কুড়িগ্রামের উলিপুরে নদ-নদীর বিস্তৃর্ণ চরে করলার বাম্পার ফলন ।। কৃষকের মুখে হাসি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

৪৮

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিভিন্ন নদ-নদীর বিস্তীর্ণ চর ও বালুচর সমুহে করলার বাম্পার ফলন হয়েছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের বুক জুরে সবজি জাতীয় এ ফসলের ক্ষেত দেখে মন ভরিয়ে যায়। বর্তমানে

চলছে চাষাবাদকৃত ক্ষেত থেকে চাষীদের করলা তোলার মহোৎসব। এবারে ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মশালের চর, মুছার চর, ফকিরের চর, বতুয়াতলী, আকেল মামুদ, বালাডোবা ও সাহেবের আলগা ইউনিয়নের নামাজের চর,

জাহাজের আলগা, কাজিয়ার চর, দইখাওয়ার চরসহ ধু-ধু করা বালুচর সমুহের করলা ক্ষেত দেখে যেনো চোখ জুরে যায়। বর্তমানে কৃষাণ- কৃষাণিরা আবাদের সবজি বাজারজাত করার জন্য ক্ষেত

থেকে উত্তোলন করছেন করলা। আর সে গুলো স্থানী হাট-বাজারসহ পার্শ্ববর্তি জেলা ও উপজেলার হাট-বাজারে সরবারহ করা হচ্ছে। ফলে ক্রেতা সাধারণ তা সহজ মূল্যে ক্রয় করতে পারছেন।

এসময় ক্ষেতের মধ্যে করলা নিতে আসা কাঁচামাল ব্যবসায়ী বেলাল ও আব্দুল মতিন জানান, বর্তমান বাজারে করলার আমদানি বেশি হওয়ায় আগের তুলনায় দাম অনেকটাই কমে গেছে।

কৃষক আব্দুল মালেক, হাবিবুর রহমান ও শমসের আলীর সাথে কথা হলে তারা জানান, অনাবাদী পতিত জমিতে এবার সবজির থেকে করলা চাষ করে বাড়তি আয় করায় আমরা খুশি।

এসব অঞ্চলের অভাবী প্রান্তিক ও বর্গাচাষীদের মাঝে প্রয়োজনীয় কৃষি পরামর্শ, প্রণোদনা, উন্নত বীজ সরবারহ করলে বিভিন্ন জাতের সবজি উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

এ ব্যপারে উলিপুর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল করিম জানান, বালু ও পরিত্যক্ত ভূমিতে কিভাবে ভাল ফসল উৎপাদন করা যাবে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।#

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.