শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অঝোরে কাঁদলেন শিক্ষার্থীরা।

( টঙ্গী গাজীপুর )

১৮

বশির আলম গাজীপুর টঙ্গীর ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজের সহকারি প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিনের অবসর জনিত এক বিরল আড়ম্বরপূর্ণ বিদায়ী অনুষ্ঠান স্কুল মিলনায়তনে গতকাল রবিবার বিকালে আবেগঘন পরিবেশে বিদায়ী সংবর্ধনা

সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীগণ অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায়ী শিক্ষকের সংবর্ধনা প্রদানকালে কেউ কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। শিক্ষকের প্রতি এই ধরনের বিরল সংবর্ধনা ও সম্মাননা সহসা চোখে পড়ে না। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অশ্রুসজল ও সম্মাননা প্রদানের

মধ্য দিয়ে বিদায় অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সকলের হৃদয় স্পর্শ করে। বিদায়ী সংবর্ধনা সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন। অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্য মনসুরুল

ইসলাম মিলন,অধ্যক্ষ ওমর ফারুক, সহকারি প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম , ইয়াসমিন নাহা র,প্রভাষক আব্দুল মোতালিব,সাদেকুল ইসলাম, শেখ জহির উদ্দিন, ইলিয়াস উদ্দিন আহমদ, জিএম ফারুক সাংবাদিক কালিমুল্লাহ ইকবাল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের

শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তফা কামাল। সভায় বক্তাগণ বিদায়ী আব্দুল মতিনের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন চাকুরী কালীন সময়ে তিনি কর্ম দিবসে কখনই প্রয়োজন ছাড়া ছুটি কাটাননি। তিনি তার সততা ও নিষ্ঠা আন্তরিকতার মাধ্যমে বিদ্যালয় সুন্দর ও সুচারুরূপে দায়িত্ব পালন করায়

অভিভাবক সদস্য, অধ্যক্ষ ,সহকারি শিক্ষকগন সকলেই তার ভুয়সি প্রশংসা ও স্মৃতিচারণ করেন এবং দীর্ঘায়ু সুস্থ্য জীবন কামনা করে দোয়া বিদায় সম্মাননা সম্বর্ধনায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নানা উপহারসামগ্রী,শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র দেওয়া হয়। আব্দুল মতিন

অশ্রুসিক্ত নয়নে স্মৃতিচারণে বলেন আমি দীর্ঘ ৩৪ বছর এই বিদ্যালয়ে শিক্ষগতার মহান পেশায় নিয়োজিত ছিলাম, জীবনের সব সুখ আহলাদ বিসর্জন দিয়ে অফুরন্ত সময় ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে ও প্রতিষ্ঠিত করার জন্য চেষ্টা প্রচেষ্টা করেছিলাম, আমার ছাত্র-ছাত্রীরা আজ দেশের

সুনামধন্য বিশ্ববিদ্যারয়ে পড়াশুনা করছে, অনেকে সরকারি বেসরকারি উচ্চ পর্যায়ে সুনামের সাথে কাজ করছেন। কেউবা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক হয়ে মহৎ পেশাকে বেচে নিয়েছে।দীর্ঘ

কর্মজীবনে যদি কোন ভুলত্রুটি করে থাকলে সকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.