সেনবাগে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর দ্বন্দ্বের জের ছাত্রলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্ঠা

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম নোয়াখালী প্রতিনিধি:

২৭

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ফিরোজ আলম রিগানের প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার এবং পেষ্টুন লাগানোর দ্বন্দ্বের জেরে রিগানের সমর্থক দক্ষিন রাজারামপুর ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ হাবিবুর

রহমান (২১) ও তার সহপাটি আরিফকে (২২) এলোপাথাড়ী পিটিয়ে হত্যার চেষ্ঠার এবং অপহরণ করে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাবার অভিযোগ ওঠেছে একই ইউপির আওয়ামীলীগ নেতা ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল হুদা হোদনের কর্মীদের বিরুদ্ধে।

এসময় সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবের মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। হাবিবুর রহমান মোহাম্মদপুর ইউপির দক্ষিন রাজারামপুর গ্রামের এমপি আবদুল রহমানের বাড়ির সৌদি প্রবাসী মোঃ ইয়াছিনের ছেলে এবং এসএ টেলিভিশনের নিউজ রুম সাংবাদিক হেদায়েত উল্লা সিমান্তের ছোটভাই।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাবিবুর রহমান জানায়, সে রিগানের পক্ষে ব্যানার ও পেষ্টুন লাগানোর জেরে হুদা গ্রুপ তার ক্ষিপ্ত হয়। শুক্রবার রাত ৮টারদিকে সে খলিল মিয়ারহাট বাজারে সহপাটি আরিফকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে আল মদিনা হোটেলে নাস্তা করার জন্য যায়।

সে ওই বাজারে পৌছ মোটরসাইকেল পার্কিং করার সময় অতর্কিতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নুরুল হুদা হোদনের সমর্থকরা এমরান, শান্ত, দুলাল, টিপু, রতন ও ছরওয়ারের নেতৃত্ব ১০/১৫ জনের একদল সন্ত্রাসী অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাথাড়ী পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত করে। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করলে লোকজন চলে যায়।

এসময় ওই সন্ত্রাসীরা তাকে চোখ বেঁধে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকিয়ে রাখে। পরে খবর পেয়ে বীজবাগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সেক্রেটারী সুজন ও আওয়ামীলীগ নেতা জিয়াউল হক জিয়া তাকে দাগনভূঁইয়ার মৃর্ধারহাট এলাকা থেকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে উদ্ধার কওে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি করান। এবং আরিফকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এব্যাপাওে যোগাযোগ করলে চেযারম্যান প্রার্থী নুরুল হুদা হোদন এধরণের কোণ ঘটনার সঙ্গে তিনি বা তার কোন কর্মী সমর্থক জড়িত নয় বলে দাবী করে বলেন উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা শনিবার গভীর রাতে তার বাড়িতে হামলা করে।

এব্যাপাওে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ আবদুল বাতেন মৃধা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য দেখছেন। তার পরও অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.