বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে কারা নির্যাতিত আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মী আব্দুস ছোবহান

মো: বশির আলম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

৭১

বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে কারা নির্যাতিত আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মী আব্দুস ছোবহান একান্ত সাক্ষাতকারে এ প্রতিবেদককে জানান,

আওয়ামীলীগ কর্মী হওয়ার কারণে বিগত ২০০৫ সালে বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন গাজীপুরে ধর্মমন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নানের ক্যাডার বাহিনী বাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বাবুলের সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা আমাকে বিভিন্ন সময় হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করাসহ বিভিন্ন ভাবে হামলা চালিয়েছিল।

আল্লাহর রহমতে বেঁচে যাই। আওয়ামীলীগ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে স্বচ্ছ কর্মী হিসেবে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গাজীপুর আড়ৎদার মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি থেকে শুরু করে সুদীর্ঘ ১৬ বছর সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছে।

আমার প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা আছে বিদায় একাধিকবার সংগঠন আমাকে নির্বাচিত করেছে। নির্বাচিত সংগঠনের সহসভাপতি মোনতাজ উদ্দিন মোনতা, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান খন্দকার, সহ সম্পাদক মাহফুজ আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান আহমেদ মন্ডল, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মন্ডলসহ কমিটির লোকজনকে নিয়ে পাইকারী আড়ৎ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে আসছি।

পাইকারী কাচামালের এই বাজারের জায়গায় এক সময় ডোবা জমি ছিল। বিভিন্ন মালিকদের কাছ থেকে চুক্তি ভিত্তিক ভাড়া নিয়ে উন্নয়ন করে বাজার পরিচালনা করে আসছে। জমি ভাড়া লিজদাতা নূরুল হক ২০০৫ সালে ভাড়া চুক্তি ভিত্তিক ৭২ শতাংশ জমিতে প্রায় বিভিন্ন মেয়াদে ২০ কোটি টাকা ব্যয় করে বাজার নির্মাণ করা হয়েছে।

কিছুদিন পর জমির মালিক নূরুল হক তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাহানাজ পারভীনের নামে পাওয়ারনামা প্রদান করে। যাহার ফলশ্রুতিতে শাহনাজ পারভীন ২০১৬ সালে দ্বিতীয়বার আমাদের সাথে ভাড়াটিয়া চুক্তিনামা করে।

কিন্তু জমির মালিক নূরুল হক জামাত শিবিরের মদদপুষ্টে স্থানীয় কতিপয় স্বার্থনাশী মহলের পরোচনায় পড়ে এই মার্কেটটি বেআইনি ভাবে দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

এমনকি মিথ্যা হয়রানীমূলক বিভিন্ন মোকদ্দমা করে সর্বআইনে হেরে গিয়ে স্থানীয় কিছু সন্তাসী বাহিনী আমাদের কমিটির লোকজনের উপর লেলিয়ে দিয়েছে। তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা আমার ও আমার সংগঠনের সদস্যদের উপর যে কোন সময় বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করছি।

ইতিপূর্বে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মন্ডলকে এলোপাথারী কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছিল। আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দলীয় সাংগঠনিক কর্মকান্ড সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি।

এই মার্কেটে প্রায় ৫ শতাধিক অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ব্যবসা পরিচালনা করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে। এসকল পরিবারের রুজি রোজগারের প্রতি দৃষ্টি রেখে বাজারটি পরিচালনা করতে সকলের প্রতি উদ্দাত আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, গাজীপুর মহানগরের আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক টঙ্গী পৌরসভার মেয়র এড. আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এড. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ।

আওয়ামীলীগের পাশাপাশি দলীয় সহযোগী সংগঠন হিসেবে গাজীপুর মহানগর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দলের সকল প্রকার সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সার্বিক নিয়োজিত রয়েছি।

সিটি মেয়রের ঐক্লান্তিক চেষ্টায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডগুলোতে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড চোখে পড়ার মতো। তার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে দলীয় নেতাকর্মীরা পাশে থেকে সহযোগিতা করলে গাজীপুর সিটি হবে একটি আধুনিক রোল মডেল।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.