কুড়িগ্রামে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেম্বার হলেন মোস্তফা কামাল

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

১০১

এলাকাবাসীর ভালবাসা ও জনপ্রিয়তায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তফা কামাল তাজুল।

সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার হাওলাদার কামরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পেশায় শিক্ষক মোস্তফা কামাল তাজুল কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার পিতার নাম মৃত: মকবুল হোসেন।

তিনি ঘোগাদহ শান্তির ভিটা গ্রামের বাসিন্দা। তিন ভাই, চার বোনের মধ্যে ৪র্থ তিনি। মোস্তফা কামাল তাজুল সম্পর্কে স্থানীয় অধিবাসী ও পাশ্ববর্তী ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের রাজারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বাবলু জানান, মোস্তফা কামাল তাজুল একজন শিক্ষক ও সমাজকর্মী।

এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। স্থানীয় কোন সালিশ বৈঠক হলে তার ডাক পরতো। ন্যায়-নীতির কারণে তিনি এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলেন।

এবারে ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। তার জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় তিনি মোস্তফা কামাল নির্বাচনে প্রার্থী হবে জেনে আর এগিয়ে আসেনি।

তিনি নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় দীনবন্ধু মিত্র প্রার্থীতার জন্য জনসংযোগ করছিলেন। কিন্তু এলাকাবাসী মোস্তফা কামালের পাশে আছেন বুঝতে পেরে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।

বর্তমান শাষকদল আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত মোস্তফা কামাল ঘোগাদহ ইউনিয়ন যুবদলের একজন সক্রিয় সদস্য।

তিনি গাইবান্ধা ডক্টর জেড আই চৌধুরী ট্রেনিং এন্ড রিসার্স ইন্সটিটিউট থেকে ৪বছর মেয়াদী কৃষি ডিপ্লোমা শেষ করে ২০০৫ সালে পাঁচগাছী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত মোস্তফা কামালের স্ত্রীসহ দু’কন্যা সন্তান রয়েছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়লাভ করে মোস্তফা কামাল তাজুল জানান, এলাকার বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় এবার এলাকার বয়োজেষ্ঠ্যরা আমাকে নির্বাচনে দাঁড়াতে উৎসাহিত করে।

আমিও চ্যালেঞ্জটি গ্রহন করেছি। এখন শিক্ষকতার পাশাপাশি এলাকার ২হাজার ৫৯২জন ভোটার ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে যাতে কাজ করতে পারি সেই চেষ্টা করবো।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.