কুড়িগ্রামে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

৬১

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ। স্বজনপ্রিতি, অনিয়মের আশ্রয়সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে নিয়োগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। জানা গেছে,

উপজেলার থানাহাট, রমনা ও অষ্টমীরচর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে শূণ্য পদে ১জন করে গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) অস্থায়ী ভিত্তিতে পূরণের জন্য আবেদনপত্র আহবান করেন উপজেলা প্রশাসন।

আবেদনের পেক্ষিতে থানাহাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শুণ্য পদে ৬জন, রমনা মডেল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে শূন্য পদে ৮ জন ও অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শুণ্য পদে ৩জন আবেদন করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায়। আবেদনের পেক্ষিতে ১১ নভেম্বর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা নির্বাহী অফিস কার্যালয়ে।

থানাহাট ও রমনা ইউনিয়নের একাধিক প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করলেও অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ১জন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন।

অভিযোগের পেক্ষিতে জানা যায়, অষ্টমীর চর ইউনিয়নের আবেদনকারী শহিদুল ইসলাম মৌখিক পরিক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য কোন পত্র কিংবা নোটিশ পাননি।

অভিযোগকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, অজ্ঞাত কারনে শুধুমাত্র নিয়োগকৃত প্রার্থী মোঃ সানোয়ারকে পরীক্ষায় উপস্থিতি নিশ্চিত করে তাকেই নির্বাচিত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমাকে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য কোন পত্র বা নোটিশ না দেয়ায় ১১ নভেম্বর পরীক্ষায় চলছে তা জানতে পেরে নৌকা যোগে আসতে সময় পার হয় এবং নিয়োগকৃত

ব্যাক্তির লোকজন আমাকে বিভিন্ন ভাবে আমাকে হুমকি প্রদান করেন ফলে আমি সময় মতো হাজির হতে পারি নাই। একজন পরীক্ষায় অংশ নিল আর তাকেই একক ভাবে নিয়োগ প্রদান করা হলো বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে রমনা মডেল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শুণ্য পদে মহল্লাদার নিয়োগেও।

অভিযোগের পেক্ষিতে জানা যায়, অজ্ঞাত কারনে রমনা মডেল ইউনিয়নের সরকারপাড়া এলাকার মৃত ধলু মিয়ার পুত্র মোঃ আজাদ মিঞা শারীরিক ভাবে অযোগ্য এবং ভুয়া ৮ম শ্রেনী স্কুল সনদ

ব্যবহার করেই নির্বাচিত হয়েছেন। অভিযোগের পেক্ষিতে আরো জানা যায়, রমনা মডেল ইউনিয়নে নিয়োগকৃত প্রার্থী চলমান একটি মামলার আসামী।

নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রার্থী মোঃ সোহেল রানা বলেন, বলে লাভ কি? টাকায় করে কাম পরীক্ষা শুধু লোক দেখানো।

অভিযুক্ত আজাদ মিঞা সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি চিলমারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সনদ পত্র গ্রহণ করেছি।আমি ভুয়া সনদ নেইনি।

এবিষয়ে চিলমারী উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আশিক ইকবাল লেলিনকে সনদদের বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।

অষ্টমীরচরের আবেদনকারীর মধ্যে শুধু একজন প্রার্থী উপস্থিত হয়েছিল এবং তাকেই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে তা শিকার করলেও আর কোন মন্তব্য করেননি নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহবুবুর রহমান।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.