শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ডেফলাই গ্রামের ছালেহা বেগম মাথা গোঁজার ঠাঁই চায়।

শেরপুর প্রতিনিধি।

৮২

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক. শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ডেফলাই গ্রামের অসহায় ভূমি ও গৃহহীন সিরাজুল হকের স্ত্রী ছালেহা বেগম মাথা গোঁজার ঠাঁই চায়।

অন্যের জায়গায় ঘর তুলে বসবাস করছেন তিনি। জায়গার মালিক জায়গা ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রতিদিন তাগিদ দিচ্ছে। কিন্ত অর্থের অভাবে জায়গা ও ঘর কোনটাই করতে পারছেনা অসহায় ছালেহা বেগম।

তার স্বামী সিরাজুল হক অন্যের একটি রিক্সা ভাড়া নিয়ে ওই রিক্সা চালিয়ে প্রতিদিন একটি সন্তান নিয়ে ৩ জনে কোন রকম জীবিকা নির্বাহ করছে।

ছালেহা বেগম তার সন্তান ও স্বামী নিয়ে বাঁচতে চায়। তাই পরিবারটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাণের আকুতি জানিয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, সার্বক্ষণিক ছালেহা বেগম এর চিন্তা আমি অন্যের জায়গায় থাকি। তাই আমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তারা।

কোন ক্রমেই আমার পক্ষে এক খন্ড জমি ক্রয় বা থাকার ঘর তৈরী করা সম্ভব না। সে আক্ষেপ করে এ প্রতিনিধিকে জানায়, লোকজন মারফত জানিতে পেরেছি, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও

গৃহহীন পরিবারকে পুর্নবাসনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মানবতার মা শেখ হাসিনা জমি ও ঘর উপহার দিচ্ছেন।

ইউএনও স্যারের মাধ্যমে বহু মানুষ ইতিমধ্যে জমি ও ঘর পেয়েছে, তারা সেখানে বসবাস করছে, আপন ঠিকানা পেয়েছে।

অনেকে জমি ও ঘর পেলেও সেখানে বসবাস করে না পতিত অবস্থায় আছে। আর আমি জমি ও ঘরের অভাবে মানবেতর জীবণ যাপন করছি।

আমার কোন ঠিকানা নাই। আমি স্থানীয় অনেকের কাছে বলেছি কিন্ত কেউ আমার দুঃখ কষ্ট বোঝেনি। একজন অসহায় গৃহহীন ও ভূমিহীন অসহায় মানুষ তাই ইউএনও স্যারের মাধ্যমে

প্রধানমন্ত্রীর কাছে মাথা গুজার ঠাঁই চাই। তা না হলে খোলা আকাশের নীচে থাকা ছাড়া উপায় থাকবে না। এ ব্যাপারে ছালেহা সৎ, বিচক্ষণ ও একজন মানবিক অফিসার ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করেছে।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.